নব্বইয়ের নায়ক

By:

Format

হার্ডকভার

Country

ভারত

166

নব্বইয়ের নায়ক–একটা দশকের গল্প। এক নায়কের গল্প। সমরেশ রায়। একটু জ্ঞান হতেই সে জঙ্গল পরিবেষ্টিত দ্বীপ সদৃশ এক ফরেস্ট অফিসের মাঝে নিজেকে আবিষ্কার করে বসে।
জঙ্গল,বন্য জীবজন্তু, অফিসের স্টাফ, পার্শ্ববর্তী আদুরিয়া গ্রাম— এসব নিয়েই শুরু হয় পথ চলা। ঘটনার ঘনঘটায় কত কিছুই যে ঘটে যায় !
বলাবাহুল্য, নানান রঙের খেলায় উদ্ভাসিত একটা জীবন্ত ক্যানভাসের নড়াচড়ায় সমরেশের শরীর বেয়ে সুখ চুঁইয়ে নামতে শুরু করে।
তারপর একটা সময়ে পাড়ি দেয় দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে। সময়টা নব্বই দশক। সারা দুর্গাপুর জুড়ে তখন বড় বড় কারখানাগুলো বন্ধ হতে শুরু করেছে, কিছু কিছু অবশ্য আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ভেঙে পড়তে শুরু করে দুর্গাপুরের আর্থ–সামাজিক পরিকাঠামো। সমরেশ ওরফে সমু সে সবের সাক্ষী থাকে। ধ্বংসপ্রাপ্ত ইট, কাঠ, পাথরের নীচে চাপা পড়ে থাকা জমাট দুঃখ, হতাশাকে ঠিক খুঁজে নেয় সে। সব হারানো মানুষগুলোর সর্বাঙ্গে জড়িয়ে থাকা কৃত্রিম ভালো থাকার চাদরটার নীচে লুক্কায়িত দগদগে ক্ষতস্থান দেখে লজ্জিত হয়। এ লজ্জা কার ? তার নিজের ? নাকি কোনো এক অদৃশ্য নিয়ন্ত্রকের ?
দুর্গাপুরের জঙ্গুলে বুনো বাতাসে অনেক কিছু ভেসে থাকে। অনেকদিন ধরে ভেসে থাকে। এ বাতাস অনেক শব্দকে কষ্ট করে জমা রাখে বুকের ভেতর, যা কখনোই নষ্ট হয় না। আসলে জন্ম-জন্মান্তরের মানুষকে না শোনালে বুঝি তার শান্তি নেই, স্বস্তি নেই।
বস্তুত, একটা গোটা দশকের অদ্ভুত ওঠা পড়ার জীবন এবং আলো-আঁধারীর বিচিত্র সব খেলা নিয়ে এ উপন্যাস–নব্বইয়ের নায়ক।
বাস্তবের মধ্যে থেকে কাল্পনিকতার নানান মাত্রার প্রয়োগের একটা প্রয়াস হল এ সৃষ্টি।
বাস্তবতার কার্যকারণ ক্ষুন্ন না করেই কাল্পনিকতা এসেছে স্বাভাবিক নিয়মে। আসলে আমাদের খালি চোখে দেখার জগতের খামতিকে মনোরমভাবে পুষিয়ে দেয় চোখ বন্ধ করে দেখার মধ্য দিয়ে
—” চোখ খুলে যতটা দেখা যায় তার চেয়েও বেশি দেখা যায় চোখ বুজে, আর যে টুকু দেখা যায়, দেখার জিনিস তার চেয়ে অনেক বড় । “
Writer

Publisher

Genre

Pages

208

Language

বাংলা

Country

ভারত

Format

হার্ডকভার

Published

1st Published, 2024

0 reviews
0
0
0
0
0

There are no reviews yet.

Be the first to review “নব্বইয়ের নায়ক”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 2 3 4 5
1 2 3 4 5
1 2 3 4 5