জন্মদ্বিশতবর্ষে বিদ্যাসাগর

By:

Format

হার্ডকভার

Country

ভারত

550

শিক্ষাই হোক বা সমাজ সংস্কার, যেদিকেই এগিয়েছেন ঈশ্বরচন্দ্র, তথাকথিত প্রগতিশীল ইংরেজ থেকে শুরু করে দেশীয় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ও পণ্ডিত সমাজের বেশিরভাগ অংশ, তাঁর কাজের পাশে দাঁড়ানোর বদলে বরং বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ‘সেইজন্য বিদ্যাসাগর এই বঙ্গদেশে একক ছিলেন। এখানে যেন তাঁহার স্বজাতি-সোদর কেহ ছিল না। এ দেশে তাঁহার সমযোগ্য সহযোগীর অভাবে আমৃত্যুকাল নির্বাসন ভোগ করিয়া গিয়াছেন।’ কথাটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। কালের নিয়মে বিদ্যাসাগরের অনেক কাজই ঐতিহাসিক মর্যাদা পেয়েছে, আবার যে বর্ণপরিচয়-এর মধ্য দিয়ে লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়ের লেখাপড়া শুরু হত, সেই বই আর তেমন পড়ানো হয় না প্রাথমিক স্তরে। কিন্তু এই মানুষটি তাঁর সময়ের ঊর্ধ্বে উঠে একের পর এক যেসব কাজ প্রায় একক প্রচেষ্টায় সম্পূর্ণ করে গিয়েছিলেন, তার তুলনা ভূভারতে নেই।

যে সময়ের ভিতর দিয়ে চলেছে আমাদের দেশ, ধর্ম-জাতপাত নিয়ে অমানবিক ও প্রতিহিংসার রাজনীতি যেভাবে মনুষ্যধর্মকেই কবরে পাঠাবার সব রকমের আয়োজন করে চলেছে, ­­­তেমন একটা সময়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে আরও বেশি করে আমাদের প্রাসঙ্গিক মনে তো হবেই, যিনি সামাজিক সত্তার ওপরে কখনওই শুধুমাত্র ব্যক্তিসত্তাকে স্থান দেননি। তাঁর ইতিহাসজ্ঞান ছিল সংশয়াতীত।

লিখেছেন: স্বপন চক্রবর্তী, সেমন্তী ঘোষ, শুভেন্দু সরকার, কানাই লাল রায়, আবীর কর, ভবানীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, গোপা দত্তভৌমিক, ঐন্দ্রিলা মাইতি সুরাই, অনির্বাণ রায়, সৌরীন ভট্টাচার্য, আশীষ লাহিড়ী, সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, রামানুজ মুখোপাধ্যায়, গৌতম বসুমল্লিক, আশিস পাঠক। গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন: দ্বিজেন্দ্র ভৌমিক। [পরিশিষ্টে অনূদিত হয়েছে মোহনদাস করমচন্দ গাঁধী এবং হেরমান ব্রকহাউস-এর দু’টি লেখা।]