- হুমায়ূন আহমেদ
- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
- হরিশংকর জলদাস
- শাহরিয়ার কবির
- সাদাত হোসাইন
- সৈয়দ শামসুল হক
- Sidney Sheldon
- Sir Henry Rider Haggard
- Stephen King
- অনীশ দাস অপু
- আকবর আলি খান
- আনিসুল হক
- আল মাহমুদ
- আলী রীয়াজ
- আসিফ নজরুল
- আসিফ মেহ্দী
- ইমদাদুল হক মিলন
- কাজী আনোয়ার হোসেন
- কিশোর পাশা ইমন
- দীপেন ভট্টাচার্য
- দীপু মাহমুদ
- রকিব হাসান
- শামসুদ্দীন নওয়াব
- মোশতাক আহমেদ
- মুনতাসীর মামুন
- মহাদেব সাহা
- মহিউদ্দিন আহমদ
- বাদল সৈয়দ
- See More…
মাদার টেরিজা
By:
Writer |
---|
Format |
হার্ডকভার |
---|
Country |
ভারত |
---|
200₹
- Cash on Delivery
- 7 Days Easy Return
- For Pre-order Books Need 15 to 45 Days to Deliver
- 100% Original
Related Products
“মাদার টেরিজা” বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
‘মাদার টেরিজা’ নামটি উচ্চারণ করলেইএকটি ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে ক্ষুদ্রকায়, অশক্ত চেহারার এক নারী, পরনে সাদা শাড়ি, কলকাতার বস্তিতে, লন্ডনের কার্ডবাের্ডের ঘরে, নিউ ইয়র্কের গেটো’তে, ভ্যাটিক্যানের ছায়ায় যে-সব দরিদ্র লােকের বাস, তাঁদের প্রেম ও করুণা দান করছেন। তাঁর অসাধারণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সারা পৃথিবী জানিয়েছে শ্রদ্ধা ও সম্মান, ভূষিত করেছে সর্বোচ্চ পুরস্কারে। নােবেল পুরস্কার থেকে আরম্ভ করে রানি এলিজাবেথ প্রদত্ত ‘অডার অব মেরিট পর্যন্ত ! এসবই তিনি গ্রহণ করেছেন দরিদ্রদের নামে, যাঁদের তিনি ও তাঁর ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ প্রাণ ঢেলে সেবা। করেন। “আমি ঈশ্বরের হাতের একটি পেনসিল ছাড়া আর কিছুই নই,” তিনি বারেবারে বলেন, “এ সব কাজ তাঁরই।”
প্রথম যখন তিনি কাজে নামেন, তাঁর সম্বল বলতে কিছুই ছিল না, ঠিক কীভাবে কাজে এগােবেন সে-বিষয়ে ছিল না কোনও পূর্বনির্দিষ্ট ধারণাও। ছিল শুধু তাঁর প্রগাঢ় ধর্মবিশ্বাস। তাই নিয়ে তিনি এক বিশাল সঙ্ঘ গড়ে তুলেছেন। একশাের বেশি দেশে তাঁরা ছড়িয়ে পড়েছেন। যারা দুঃস্থ, অনাথ, প্রতিবন্ধী, যারা কুষ্ঠরােগাক্রান্ত এবং যারা মৃত্যুপথযাত্রী, তাদের জন্যে প্রতিষ্ঠা করে চলেছেন একের পর এক আশ্রয়স্থল। তাঁর মূল কাজ কিন্তু এখনও বস্তিতে-বস্তিতে, রাস্তার ধুলােয়।
নবীন চাওলা গভীর সংবেদনশীলতা এবং স্বচ্ছ দৃষ্টি নিয়ে মাদার টেরিজার কাহিনী বিবৃত করেছেন। অনেক বছর ধরে তিনি তাঁকে চেনেন, তাঁর দুর্লভ সব কাগজ ও চিঠিপত্র তিনি দেখতে পেয়েছেন, অনেকবার কথা বলেছেন তাঁর সঙ্গে ও তাঁর বন্ধু এবং সাহায্যকারীদের সঙ্গে।
সর্বোপরি তিনি পেয়েছেন মাদার টেরিজার অকুণ্ঠ সহযােগিতা। তার ফল, এ যুগের সবচেয়ে অসাধারণ নারীর এই প্রামাণ্য জীবনী । ইংরেজিতে সাড়াজাগানাে এই জীবনী-গ্রন্থের বাংলা রূপান্তর প্রকাশিত হল, আনন্দ-শ্রদ্ধার্ঘ্য রূপে।
‘মাদার টেরিজা’ নামটি উচ্চারণ করলেইএকটি ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে ক্ষুদ্রকায়, অশক্ত চেহারার এক নারী, পরনে সাদা শাড়ি, কলকাতার বস্তিতে, লন্ডনের কার্ডবাের্ডের ঘরে, নিউ ইয়র্কের গেটো’তে, ভ্যাটিক্যানের ছায়ায় যে-সব দরিদ্র লােকের বাস, তাঁদের প্রেম ও করুণা দান করছেন। তাঁর অসাধারণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সারা পৃথিবী জানিয়েছে শ্রদ্ধা ও সম্মান, ভূষিত করেছে সর্বোচ্চ পুরস্কারে। নােবেল পুরস্কার থেকে আরম্ভ করে রানি এলিজাবেথ প্রদত্ত ‘অডার অব মেরিট পর্যন্ত ! এসবই তিনি গ্রহণ করেছেন দরিদ্রদের নামে, যাঁদের তিনি ও তাঁর ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ প্রাণ ঢেলে সেবা। করেন। “আমি ঈশ্বরের হাতের একটি পেনসিল ছাড়া আর কিছুই নই,” তিনি বারেবারে বলেন, “এ সব কাজ তাঁরই।”
প্রথম যখন তিনি কাজে নামেন, তাঁর সম্বল বলতে কিছুই ছিল না, ঠিক কীভাবে কাজে এগােবেন সে-বিষয়ে ছিল না কোনও পূর্বনির্দিষ্ট ধারণাও। ছিল শুধু তাঁর প্রগাঢ় ধর্মবিশ্বাস। তাই নিয়ে তিনি এক বিশাল সঙ্ঘ গড়ে তুলেছেন। একশাের বেশি দেশে তাঁরা ছড়িয়ে পড়েছেন। যারা দুঃস্থ, অনাথ, প্রতিবন্ধী, যারা কুষ্ঠরােগাক্রান্ত এবং যারা মৃত্যুপথযাত্রী, তাদের জন্যে প্রতিষ্ঠা করে চলেছেন একের পর এক আশ্রয়স্থল। তাঁর মূল কাজ কিন্তু এখনও বস্তিতে-বস্তিতে, রাস্তার ধুলােয়।
নবীন চাওলা গভীর সংবেদনশীলতা এবং স্বচ্ছ দৃষ্টি নিয়ে মাদার টেরিজার কাহিনী বিবৃত করেছেন। অনেক বছর ধরে তিনি তাঁকে চেনেন, তাঁর দুর্লভ সব কাগজ ও চিঠিপত্র তিনি দেখতে পেয়েছেন, অনেকবার কথা বলেছেন তাঁর সঙ্গে ও তাঁর বন্ধু এবং সাহায্যকারীদের সঙ্গে।
সর্বোপরি তিনি পেয়েছেন মাদার টেরিজার অকুণ্ঠ সহযােগিতা। তার ফল, এ যুগের সবচেয়ে অসাধারণ নারীর এই প্রামাণ্য জীবনী । ইংরেজিতে সাড়াজাগানাে এই জীবনী-গ্রন্থের বাংলা রূপান্তর প্রকাশিত হল, আনন্দ-শ্রদ্ধার্ঘ্য রূপে।
Writer | |
---|---|
Publisher | |
ISBN |
9788172154400 |
Genre | |
Pages |
172 |
Published |
7th Edition, 2012 |
Language |
বাংলা |
Country |
ভারত |
Format |
হার্ডকভার |